1
By
Nihar Sarkar
জানালা গুলোর ঝাপটানির আওয়াজে বিকেলের ঘুমটা ভেঙ্গে গেল । ঘুম চোখে তাকিয়ে দেখি বাইরে মেঘ ঘনিয়ে এসেছে সঙ্গে একটু ঝর । আর শুয়ে থাকতে পারলাম না । তাড়াহুড়ো করে উঠে গেঞ্জি টা কোন রকম গলিয়ে ঘরের বাইরে বেরোলাম , তারপর সোজা এক দৌরে ছাদে । ছাদের রংচটা , কানা ভাঙ্গা দরজা টা ঝরের ঝাপটায় কাপতে শুরু করেছে । ছাদে প্রথম পা দিতেই দমকা হাওয়া এসে বুকে আছড়ে পরল জোরে । দুরের গাছগুলো তখন মাথা নাড়াচ্ছে হাওয়ার সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে । পাশের বাড়ির ছাদে মেলা একটা কাপড় উরে এসে পরল আমার পায়ের কাছে । ছাদের চিলেকোঠার শালিখের বাসাটা ভেঙ্গে গেছে কখন ঝরের ঝাঁপটায় । ছাদের পাশের শিরীষ গাছটার শুকনো পাতা গুলো ছাদময় ছরিয়ে একাকার হয়ে গেছে চারিদিকে । দুরে পশ্চিম দিকে সূর্যিমামা ক্লান্ত হয়ে বিদায় জানাচ্ছিল তখন । মেঘ কে উপেক্ষা করে গোধূলির আলো তখনো উঁকি দিচ্ছে , সেই আলোয় রাঙিয়ে আছে পশ্চিমের মেঘ গুলো ।
দু ফোঁটা বৃষ্টি এসে পরল আমার গায়ে । ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টির মাঝে দারিয়ে হাথ দুটো ছরিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে রইলাম কিছুক্ষন । প্রান ভরে উপভোগ করতে চাইলাম বছরের প্রথম বৃষ্টি । তখন মনে পরে গেল শেষ বছরের এরকম এক দিনের কথা । এক বিকেলে এরকম ই ভিজতে এসেছিলাম ছাদে । বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা গুলোকে উপেক্ষা করে দারিয়েছিলাম আকাশের দিকে তাকিয়ে । পাশের বাড়ির বিক্রমদার ছাদে চোখ যেতেই চোখ আটকে গেছিলো সেদিকে । আমার সমবয়েসি একটা মেয়ে ছাদ ময় নেচে বেড়াচ্ছে আপন মনে । খোলা চুলে হাথে ওড়না টাকে টাকে দুহাথে ধরে ছরিয়ে দিচ্ছিল আকাশের দিকে । যেন সে বৃষ্টি গুলোকে ওড়নাতে আটকে নিতে চায় । নীল হলুদ চুড়িদারে যখন ওড়না ছরিয়ে নাচছিল , সে নাচ মেঘলা বিকেলের বনময়ূরের নাচের থেকেও বেশি সুন্দর । চোখ বন্ধ করা সেই হাসি মুখ টা মুহূর্তের মধ্যে গেথে গিয়েছিল মনে । নির্ভেজাল সেই হাসি মন কেরে নিতে পারে সবার । জীবনের অন্য সব দুঃখ কষ্ট ভুলে সে যেন শুধু সেই মুহূর্তটুকু প্রান ভরে আপন করে নিতে চায় । ভেজা চুলে হাথ বোলাতে বোলাতে যখন চুল ঝারতে গেছিলো ও , তখনি চোখাচুখি হল দুজনের । থেমে গিয়ে ছাদের দেয়ালের পাশে এসে দারাল , আমিও অন্য দিকে দেখার ভান করেছিলাম । আড়চোখে কয়েকবার তাকিয়েছিলাম , বুঝেছিলাম সে ও তাকাচ্ছে । এবার একটু লজ্জার হাসি মুখে । ওড়না টাকে বুকের কাছে টেনে নিয়ে একটু অন্য দিকে তাকাল । তারপর এরকম ভাবেই কাটল কিছুক্ষন । নিচের থেকে নীলা বলে একটা ডাক আসায় একটু মুচকি হেসে চলে গিয়েছিল সে । এর আগে বৃষ্টি টাকে কোনদিন আমার এত ভালো লাগেনি ।
পরে জেনেছিলাম বিক্রমদার মামার মেয়ে ও । তারপর থেকে বৃষ্টি হলে রোজ আসি ছাদে , সেই বনময়ূরীর নাচ দেখব বলে । আবার হয়তো সেই চুলখোলা নিস্পাপ হাসি মুখ টা দেখতে পাবো , সেই আশায় । মেঘ হয় , বৃষ্টি ও আসে কিন্তু ময়ূরী আর আসে না ।।
মনময়ুরী
জানালা গুলোর ঝাপটানির আওয়াজে বিকেলের ঘুমটা ভেঙ্গে গেল । ঘুম চোখে তাকিয়ে দেখি বাইরে মেঘ ঘনিয়ে এসেছে সঙ্গে একটু ঝর । আর শুয়ে থাকতে পারলাম না । তাড়াহুড়ো করে উঠে গেঞ্জি টা কোন রকম গলিয়ে ঘরের বাইরে বেরোলাম , তারপর সোজা এক দৌরে ছাদে । ছাদের রংচটা , কানা ভাঙ্গা দরজা টা ঝরের ঝাপটায় কাপতে শুরু করেছে । ছাদে প্রথম পা দিতেই দমকা হাওয়া এসে বুকে আছড়ে পরল জোরে । দুরের গাছগুলো তখন মাথা নাড়াচ্ছে হাওয়ার সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে । পাশের বাড়ির ছাদে মেলা একটা কাপড় উরে এসে পরল আমার পায়ের কাছে । ছাদের চিলেকোঠার শালিখের বাসাটা ভেঙ্গে গেছে কখন ঝরের ঝাঁপটায় । ছাদের পাশের শিরীষ গাছটার শুকনো পাতা গুলো ছাদময় ছরিয়ে একাকার হয়ে গেছে চারিদিকে । দুরে পশ্চিম দিকে সূর্যিমামা ক্লান্ত হয়ে বিদায় জানাচ্ছিল তখন । মেঘ কে উপেক্ষা করে গোধূলির আলো তখনো উঁকি দিচ্ছে , সেই আলোয় রাঙিয়ে আছে পশ্চিমের মেঘ গুলো ।
দু ফোঁটা বৃষ্টি এসে পরল আমার গায়ে । ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টির মাঝে দারিয়ে হাথ দুটো ছরিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে রইলাম কিছুক্ষন । প্রান ভরে উপভোগ করতে চাইলাম বছরের প্রথম বৃষ্টি । তখন মনে পরে গেল শেষ বছরের এরকম এক দিনের কথা । এক বিকেলে এরকম ই ভিজতে এসেছিলাম ছাদে । বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা গুলোকে উপেক্ষা করে দারিয়েছিলাম আকাশের দিকে তাকিয়ে । পাশের বাড়ির বিক্রমদার ছাদে চোখ যেতেই চোখ আটকে গেছিলো সেদিকে । আমার সমবয়েসি একটা মেয়ে ছাদ ময় নেচে বেড়াচ্ছে আপন মনে । খোলা চুলে হাথে ওড়না টাকে টাকে দুহাথে ধরে ছরিয়ে দিচ্ছিল আকাশের দিকে । যেন সে বৃষ্টি গুলোকে ওড়নাতে আটকে নিতে চায় । নীল হলুদ চুড়িদারে যখন ওড়না ছরিয়ে নাচছিল , সে নাচ মেঘলা বিকেলের বনময়ূরের নাচের থেকেও বেশি সুন্দর । চোখ বন্ধ করা সেই হাসি মুখ টা মুহূর্তের মধ্যে গেথে গিয়েছিল মনে । নির্ভেজাল সেই হাসি মন কেরে নিতে পারে সবার । জীবনের অন্য সব দুঃখ কষ্ট ভুলে সে যেন শুধু সেই মুহূর্তটুকু প্রান ভরে আপন করে নিতে চায় । ভেজা চুলে হাথ বোলাতে বোলাতে যখন চুল ঝারতে গেছিলো ও , তখনি চোখাচুখি হল দুজনের । থেমে গিয়ে ছাদের দেয়ালের পাশে এসে দারাল , আমিও অন্য দিকে দেখার ভান করেছিলাম । আড়চোখে কয়েকবার তাকিয়েছিলাম , বুঝেছিলাম সে ও তাকাচ্ছে । এবার একটু লজ্জার হাসি মুখে । ওড়না টাকে বুকের কাছে টেনে নিয়ে একটু অন্য দিকে তাকাল । তারপর এরকম ভাবেই কাটল কিছুক্ষন । নিচের থেকে নীলা বলে একটা ডাক আসায় একটু মুচকি হেসে চলে গিয়েছিল সে । এর আগে বৃষ্টি টাকে কোনদিন আমার এত ভালো লাগেনি ।
পরে জেনেছিলাম বিক্রমদার মামার মেয়ে ও । তারপর থেকে বৃষ্টি হলে রোজ আসি ছাদে , সেই বনময়ূরীর নাচ দেখব বলে । আবার হয়তো সেই চুলখোলা নিস্পাপ হাসি মুখ টা দেখতে পাবো , সেই আশায় । মেঘ হয় , বৃষ্টি ও আসে কিন্তু ময়ূরী আর আসে না ।।
0
By
Nihar Sarkar
প্রথম চিঠি
প্রিয় ময়ূরী ,
আশা করি এখন তুই ভালোই আছিস । তোকে অনেক দিন থেকে এটা লিখবো ভেবেছিলাম , সাহস হয়নি কোনদিন । আজ আর না লিখে পারলাম না রে । ভুল ভাবিস না প্লিজ ।
হ্যা , আমি তোকে ভালোবাসি । সেই প্রথম যেদিন দেখেছিলাম ,সেদিন থেকেই । প্রেমটা বড় অদ্ভুৎ জানিস ! মানুষটাকে পুরো পালটে দেয় । আগে সন্ধ্যা বেলা মাঠে বসে বন্ধু দের সঙ্গে আড্ডা দিতে বেশ লাগতো , এখনো মাঠে যাই কিন্তু আড্ডা টা আর জমে না । মাঠের কোনে বাদাম গাছ টায় হেলান দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি । বসন্তের সন্ধ্যায় দখিনা হাওয়া আমার মনটাকে দুলিয়ে চলে যায় । আকাশের দিকে তাকিয়ে গুটি কয়েক মেঘের কুন্ডলি আর একগুচ্ছ মিটমিটে তারার মাঝে যখন নিরেট গোল পূর্ণিমার চাঁদ টাকে দেখি , তখন বুকের ভেতর টা এক অজানা কারনে খুশি তে ভরে ওঠে । তোর মুখ টা আমি ওই চাঁদের মধ্যে দেখতে পাই । যেন তুই একগাল হেসে আমার দিকে তাকিয়ে আছিস । গাছের পাতার ফাক দিয়ে চাঁদের আলো এসে যখন আমার গায়ে পরে , মনে হয় তুই যেন জরিয়ে ধরেছিস আমায় । নিস্তব্ধ সন্ধ্যায় যখন গাছের পাতা গুলো হাওয়ায় দুলে একটু শব্দ করে , মনে হয় তুই যেন আমার কানে কানে কিছু একটা বলে গেলি । মেঘ , চাঁদ , হাওয়া , পাতা এসব আগেও ছিল কিন্তু ওরা এর আগে কোনোদিন আমায় অবাক করেনি এরকম । আগে শুধু অগুলোকে দেখতাম , এখন অনুভব করতে পারি নিজের মধ্যে ।
স্কুলে রোজ যখন তুই পড়া শুনিস মন দিয়ে , আমি তখন শেষ বেঞ্চ থেকে মন দিয়ে শুধু তোর দিকে তাকিয়ে থাকি । পড়া আর আজকাল শোনা হয় না । স্কুলের অ্যানুয়াল ফাংশানে তোর আবৃতি করা কবিতা টা আমি পুরোটা মুখস্ত করে নিয়েছি , একদিন তোকে শোনাবো বলে । এখন আমি রোজ তারাতারি ঘুম থেকে উঠি তোকে দেখার জন্য । রোজ সকালে যখন আমার বাড়ির সামনে থেকে টিউশন যাস আমি ছাদ থেকে উকি মেরে দেখি । মা একটু অবাক হয়েছেন এখন রোজ এত তারাতারি ঘুম থেকে ওঠার জন্য । তোর একটা রুমাল হয়তো হারিয়ে গেছে তাইনা ? ওটা তুই ক্লাসে ফেলে রেখে গেছিলি । আমার কাছে ই আছে এখন , যত্ন করে রেখে দিয়েছি ওটা ।
সেদিন তোকে আমি পুকুর ধারে দেখেছিলাম , যখন তুই ঘাটের পারে বসে জলে পা দোলাচ্ছিলি আর গুন গুন করে কি যেন একটা গাইছিলি । তোর জলে ভেজা পায়ে নূপুর টা হিরে বসানো গয়নার থেকেও বেশি সুন্দর লেগেছিল আমার । মনে হয়েছিল , জলের সঙ্গে মিশে গিয়ে একবার ছুয়ে আসি তোকে । গলাপি ঠোঁটে হাসি মুখ টা কিছুতেই ভুলতে পারিনি এখনো । মনে হয়েছিলো তোর কলে মাথা দিয়ে শুয়ে জীবনের সব একাকীত্ত জলাঞ্জলি দিয়ে দি । তুই যেন তখন আমার দিকে তাকিয়ে আমার মাথায় হাথ বুলিয়ে দিস । নাহয় কিছুক্ষন দুজনে দুজনার দিকে তাকিয়ে থাকব একদৃষ্টে । পৃথিবীর সব বাধা বিঘ্ন উপেক্ষা করে আমি একবার জরিয়ে ধরব তোকে ।
অগোছালো জীবন টা একটু গোছাতে শিখেছি এখন । আগে বাবার মার খুব ভয় পেতাম , এখন তোকে হারানোর ভয়টা সেটার থেকেও অনেক অনেক বেশি । ভালোবাসা সত্যিই মানুষকে পালটে দেয় । তোর উত্তরের আশায় রইলাম ।
আশা করি এখন তুই ভালোই আছিস । তোকে অনেক দিন থেকে এটা লিখবো ভেবেছিলাম , সাহস হয়নি কোনদিন । আজ আর না লিখে পারলাম না রে । ভুল ভাবিস না প্লিজ ।
হ্যা , আমি তোকে ভালোবাসি । সেই প্রথম যেদিন দেখেছিলাম ,সেদিন থেকেই । প্রেমটা বড় অদ্ভুৎ জানিস ! মানুষটাকে পুরো পালটে দেয় । আগে সন্ধ্যা বেলা মাঠে বসে বন্ধু দের সঙ্গে আড্ডা দিতে বেশ লাগতো , এখনো মাঠে যাই কিন্তু আড্ডা টা আর জমে না । মাঠের কোনে বাদাম গাছ টায় হেলান দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি । বসন্তের সন্ধ্যায় দখিনা হাওয়া আমার মনটাকে দুলিয়ে চলে যায় । আকাশের দিকে তাকিয়ে গুটি কয়েক মেঘের কুন্ডলি আর একগুচ্ছ মিটমিটে তারার মাঝে যখন নিরেট গোল পূর্ণিমার চাঁদ টাকে দেখি , তখন বুকের ভেতর টা এক অজানা কারনে খুশি তে ভরে ওঠে । তোর মুখ টা আমি ওই চাঁদের মধ্যে দেখতে পাই । যেন তুই একগাল হেসে আমার দিকে তাকিয়ে আছিস । গাছের পাতার ফাক দিয়ে চাঁদের আলো এসে যখন আমার গায়ে পরে , মনে হয় তুই যেন জরিয়ে ধরেছিস আমায় । নিস্তব্ধ সন্ধ্যায় যখন গাছের পাতা গুলো হাওয়ায় দুলে একটু শব্দ করে , মনে হয় তুই যেন আমার কানে কানে কিছু একটা বলে গেলি । মেঘ , চাঁদ , হাওয়া , পাতা এসব আগেও ছিল কিন্তু ওরা এর আগে কোনোদিন আমায় অবাক করেনি এরকম । আগে শুধু অগুলোকে দেখতাম , এখন অনুভব করতে পারি নিজের মধ্যে ।
স্কুলে রোজ যখন তুই পড়া শুনিস মন দিয়ে , আমি তখন শেষ বেঞ্চ থেকে মন দিয়ে শুধু তোর দিকে তাকিয়ে থাকি । পড়া আর আজকাল শোনা হয় না । স্কুলের অ্যানুয়াল ফাংশানে তোর আবৃতি করা কবিতা টা আমি পুরোটা মুখস্ত করে নিয়েছি , একদিন তোকে শোনাবো বলে । এখন আমি রোজ তারাতারি ঘুম থেকে উঠি তোকে দেখার জন্য । রোজ সকালে যখন আমার বাড়ির সামনে থেকে টিউশন যাস আমি ছাদ থেকে উকি মেরে দেখি । মা একটু অবাক হয়েছেন এখন রোজ এত তারাতারি ঘুম থেকে ওঠার জন্য । তোর একটা রুমাল হয়তো হারিয়ে গেছে তাইনা ? ওটা তুই ক্লাসে ফেলে রেখে গেছিলি । আমার কাছে ই আছে এখন , যত্ন করে রেখে দিয়েছি ওটা ।
সেদিন তোকে আমি পুকুর ধারে দেখেছিলাম , যখন তুই ঘাটের পারে বসে জলে পা দোলাচ্ছিলি আর গুন গুন করে কি যেন একটা গাইছিলি । তোর জলে ভেজা পায়ে নূপুর টা হিরে বসানো গয়নার থেকেও বেশি সুন্দর লেগেছিল আমার । মনে হয়েছিল , জলের সঙ্গে মিশে গিয়ে একবার ছুয়ে আসি তোকে । গলাপি ঠোঁটে হাসি মুখ টা কিছুতেই ভুলতে পারিনি এখনো । মনে হয়েছিলো তোর কলে মাথা দিয়ে শুয়ে জীবনের সব একাকীত্ত জলাঞ্জলি দিয়ে দি । তুই যেন তখন আমার দিকে তাকিয়ে আমার মাথায় হাথ বুলিয়ে দিস । নাহয় কিছুক্ষন দুজনে দুজনার দিকে তাকিয়ে থাকব একদৃষ্টে । পৃথিবীর সব বাধা বিঘ্ন উপেক্ষা করে আমি একবার জরিয়ে ধরব তোকে ।
অগোছালো জীবন টা একটু গোছাতে শিখেছি এখন । আগে বাবার মার খুব ভয় পেতাম , এখন তোকে হারানোর ভয়টা সেটার থেকেও অনেক অনেক বেশি । ভালোবাসা সত্যিই মানুষকে পালটে দেয় । তোর উত্তরের আশায় রইলাম ।
~ইতি অনিরুদ্ধ
1
By
Nihar Sarkar
একলা মেয়েটা
মেয়েটা খুবই একা কিন্তু কাউকে বুঝতে দেয়না । সে ও চেয়েছিল বাকি সবার মতো জীবনের তালে তাল মেলাতে । যৌবনের প্রথম আধ্যায় তে আরও পাঁচটা মেয়ের মতো সে ও জীবনজোয়ারে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়েছিল একটু প্রেমের আশায় । ভালোবাসা কতোটা পেয়েছিলো তা জানিনা তবে দুঃখ অনেকটা পেয়েছিলো সে । তাই বোধয় আজ ভালোবাসার প্রতি কোন ভালোবাসা নেই তার ।
জীবন তাকে শিক্ষা দিয়েছে কঠোর ভাবে , সে শিক্ষা কোন বইতে পাওয়া যায় না । রাতে চোখ বন্ধ করে শুয়ে যখন ঘুম আসেনা তখন স্মৃতি গুলো আবার নারা দিয়ে ওঠে বার বার । অনেক কষ্ট করে সেগুলোকে সরিয়ে রেখে একটু ঘুমোবার চেষ্টা করে । মাঝে মাঝে ভাবে আবার নতুন করে সবকিছু শুরু করবে কিন্তু কোন এক অজানা ভয় তাকে বার বার আটকে দেয় । আগের মতো কষ্ট পেতে সে আর চায় না ।
রূপকথায় পড়া স্বাপ্নের রাজকুমার খুজেছিল সে একদিন , কিন্তু ভুলে গেছিলো যে , সে নিজে কোন রাজকন্যা নয় । তাই রাজসুখ টা তার কপালে নেই । এখন সে বুঝেছে সব তাই কোন রাজকুমারের প্রতি তার আর মোহ নেই । ধুলো মাখা অগোছালো গারিব ছেলে টা আজ তার কাছে রাজকুমারের থেকে বেশি মুল্যবান ।
জীবন তাকে শিক্ষা দিয়েছে কঠোর ভাবে , সে শিক্ষা কোন বইতে পাওয়া যায় না । রাতে চোখ বন্ধ করে শুয়ে যখন ঘুম আসেনা তখন স্মৃতি গুলো আবার নারা দিয়ে ওঠে বার বার । অনেক কষ্ট করে সেগুলোকে সরিয়ে রেখে একটু ঘুমোবার চেষ্টা করে । মাঝে মাঝে ভাবে আবার নতুন করে সবকিছু শুরু করবে কিন্তু কোন এক অজানা ভয় তাকে বার বার আটকে দেয় । আগের মতো কষ্ট পেতে সে আর চায় না ।
রূপকথায় পড়া স্বাপ্নের রাজকুমার খুজেছিল সে একদিন , কিন্তু ভুলে গেছিলো যে , সে নিজে কোন রাজকন্যা নয় । তাই রাজসুখ টা তার কপালে নেই । এখন সে বুঝেছে সব তাই কোন রাজকুমারের প্রতি তার আর মোহ নেই । ধুলো মাখা অগোছালো গারিব ছেলে টা আজ তার কাছে রাজকুমারের থেকে বেশি মুল্যবান ।
0
By
Nihar Sarkar
আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ যারা আমায় পাগল ভাবে । আগে একটু খারাপ লাগতো ঠিক ই কিন্তু এখন এটাকে ই উপভোগ করি । পাগলামি টা আজকাল মস্তিস্ক থেকে অস্থি সব জায়গায় ছেয়ে গেছে । আর পাঁচ জন লোকের মতো সাধারন ভাবে জীবন জোয়ারে গা ভাসিয়ে দেয়া টা কোনো দিন ই আমার স্বভাবে ছিল না । এই মহানাগারী তে রোজ কতো লোক দেখি , তাদের চেহারা আর পোষাক টা বাদ দিয়ে বাকি সবটুকুর মধ্যে কতো মিল । সবাই একে অপরের থেকে নকল করতে ব্যাস্ত । সেই বিরাট জনসমূদ্রে দারিয়ে একটু আলাদা হয়ে থাকাটা খুব আনন্দের । সবাই জীবন যুদ্ধে ব্যাস্ত , শুধু সবার যুদ্ধের ধরন টা একটু আলাদা ।
আজকাল অনেকে এরিয়ে যাবার চেষ্টা করে । তাদের কেও জানাই ধন্যবাদ , কারন তাদের জন্য আমি আবার নতুন করে কিছু জিনিস ভাবার সুযোগ পাই । তোরা ভালো , তোরা ভালো ই থাক । বেশি ভালো হতে গিয়ে নিজেকে পালটাতে পারবো না রে !
তোরা ভালো থাক
আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ যারা আমায় পাগল ভাবে । আগে একটু খারাপ লাগতো ঠিক ই কিন্তু এখন এটাকে ই উপভোগ করি । পাগলামি টা আজকাল মস্তিস্ক থেকে অস্থি সব জায়গায় ছেয়ে গেছে । আর পাঁচ জন লোকের মতো সাধারন ভাবে জীবন জোয়ারে গা ভাসিয়ে দেয়া টা কোনো দিন ই আমার স্বভাবে ছিল না । এই মহানাগারী তে রোজ কতো লোক দেখি , তাদের চেহারা আর পোষাক টা বাদ দিয়ে বাকি সবটুকুর মধ্যে কতো মিল । সবাই একে অপরের থেকে নকল করতে ব্যাস্ত । সেই বিরাট জনসমূদ্রে দারিয়ে একটু আলাদা হয়ে থাকাটা খুব আনন্দের । সবাই জীবন যুদ্ধে ব্যাস্ত , শুধু সবার যুদ্ধের ধরন টা একটু আলাদা ।
আজকাল অনেকে এরিয়ে যাবার চেষ্টা করে । তাদের কেও জানাই ধন্যবাদ , কারন তাদের জন্য আমি আবার নতুন করে কিছু জিনিস ভাবার সুযোগ পাই । তোরা ভালো , তোরা ভালো ই থাক । বেশি ভালো হতে গিয়ে নিজেকে পালটাতে পারবো না রে !
2
By
Nihar Sarkar
মিতালি { প্রথম আধ্যায় }
part 1
সেদিন স্কুল শেষে বাড়ি ফিরছিলাম , ফিরতে একটু দেরি হয়ে গেল । বাড়ির গলিটায় ঢোকার আগে একটা সরকারি কোয়াটার পেরে । ৪ তলার ২ টো বিল্ডিং, সেগুলো পাঁচিল দিয়ে ঘেরা আর সামনে একটু বাগান মতো আছে । বাগান আর নেই , পরিচর্যার অভাবে আগাছায় ভরা । ওটার সামনে থেকে আসার সময় দেখলাম গেটের সামনে একটা বড় গাড়িতে মাল বোঝাই করা আর পাশে একটা ট্যাক্সি । মনেহয় নতুন কেউ এসেছে এখানে । এমনিতেই দেরি হয়ে গেছিলো ফিরতে তাই আর সময় না বাড়িয়ে তারাতারি ফিরে এলাম বাড়ি ।
পরদিন ক্লাসে এসে রোজকার মতো লাস্ট বেঞ্চে গিয়ে বসলাম নায়নের পাশে । আমি নয়ন আর আবীর সেই ক্লাস ফাইভ থেকে এই স্কুলে পরছি । স্কুলের প্রথম দিন দেরি করে আসার জন্য আমরা শেষ বেঞ্চে জায়গা পেয়েছিলাম , তারপর থেকে ওটাই আমাদের পাকা জায়গা । ক্লাসরুম পাল্টেছে কিন্তু আমাদের শেষ বেঞ্চ টা কেউ কেরে নিতে পারেনি । এখন তো ওটা আমাদের কেনা জায়গার মতো হয়ে গেছে , ভুল করেও এটায় কেউ বসেনা আমরা ছাড়া । মিনিট দুয়েক পর আবীর চলে এল , বেঞ্চের কাছে এসে আমার পাশে ব্যাগ টা রেখে বলল
- সুনতে পেলাম আমাদের ১১ সায়েন্স এ একটা নতুন মেয়ে এসেছে ।
- এই সময় নতুন অ্যাডমিশন ? ক্লাস তো প্রায় ১ মাস আগেই শুরু হয়ে গেছে ! সে যা হয় হোক , আমার কি !
বলে আমি একটু সরে ওকে বসার জায়গা করে দিলাম । একে একে সবাই প্রায় চলে এসেছে । স্কুল সুরুর ঘণ্টা পরে গেছে । আমরা তখন আড্ডায় মত্ত , খেয়াল করিনি স্যার যে কখন চলে এসেছেন । সবাইকে চুপ করে যেতে দেখে ঘুরে দেখি স্যার চলে এসেছেন । আমরাও দারালাম ।স্যার সবাইকে হাথ নারিয়ে বসতে ঈশারা করলেন । বসার পর খেয়াল করলাম যে স্যার এর পাশে একটা মেয়ে । আগে দেখিনি কোনদিন , বোধহয় সেই নতুন মেয়েটা যার কথা আবীর বলছিল । স্যার বলতে শুরু করেছেন ততক্ষনে
- এ তোমাদের নতুন বন্ধু মিতালি সেন , আজ এখানে এসেছে । দেরি করে অ্যাডমিশন নিয়েছে তাই তোমরা সবাই একটু হেল্প কোরো ওকে ।
আরও অনেক কিছু বলেছিলেন স্যার কিন্তু সেগুলো শোনা হয়নি । আমি ওর দিকে তাকিয়ে কখন যেন অন্যমনস্ক হয়ে গেছি বুঝতে পারিনি । আর পাঁচটা সাধারন মেয়ের মতো ও নয় , একটু আলাদা । অন্তত প্রথম দেখায় তাই ই মনে হয়েছিল । বাকি মেয়েদের মতো মেয়েটা রোগা নয় ,আবার মোটাও না । চুল পরিপাটি করে বাধা । চোখে একটা শান্ত ভাব , মুখে হাল্কা হাসি । শান্ত হয়ে নিচের দিকে মুখ করে দারিয়ে আছে । মুখটা খুব মায়াবি ,চোখ ফেরাতে পারিনি কয়েক মুহূর্ত । তারপর দেখলাম আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে এবং আমাদের একটা বেঞ্চ আগে এসে বসল । স্যার এর দিকে তাকিয়ে দেখি স্যার আমাদের বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে । আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল
- কোনো রকম অসুবিধা যদি ওর হয় তাহলে কি করে তোদের সায়েস্তা করতে হয় আমার জানা আছে ।
বলে স্যার নিজের চেয়ারে বসে নাম ডাকা শুরু করলেন । আমরা ভালই বুঝতে পেরেছিলাম যে শেষের হুমকি টা আমাদের এ জন্য । বাঁদরামি করার জন্য যে আমাদের সুখ্যাতি আছে সেটা আমরা ভালো করেই জানি । কত ক্লাস যে আমাদের কান ধরে ক্লাসের বাইরে দারিয়ে থাকতে হয়েছে গোনা নেই ! আগে ওটাকে উপভোগ করতাম কিন্তু এখন একটু গায়ে লাগে । পাশে ঘুরে দেখি আবীর মেয়েটার দিকে হা করে চেয়ে আছে । কেন জানিনা একটু রাগ হয়েছিল আবীরের ওপর। মেয়েটা যে আমাদের আড্ডা শুনে মজা পেয়েছে সেটা বুঝলাম যখন দেখলাম আমাদের কথা শুনে মুচকি হাসছে । আমরা যে সেটা লক্ষ্য করেছি সেটা বুঝতে পেরে চুপ করে গেছিলো পরে ।
শনিবার ছিল দিনটা, তাই দুপুর দুটো নাগাদ ছুটি হয়ে গেল স্কুল । আমরা রোজকার মতো সবার শেষে বেরোলাম ক্লাস থেকে । তিনজনে হেটে যাচ্ছি বাড়ির দিকে কথা বলতে বলতে হথাৎ নয়ন আমাদের থামিয়ে দিয়ে বলল "ওই দেখ সেই মেয়েটা । আমাদের ওদিকেই যাচ্ছে । চল ,দেখি কোনদিকে যায় " । সামনে তাকিয়ে দেখি হ্যাঁ তাইতো ,সেই মেয়েটাই বটে । আমাদের থেকে ৫০ মিটার দুরে হবে বড়জোর , আমাদের বাড়ির ওদিকেই যাচ্ছে । রোদ টা ভালই পরেছে দুপরে তাই হাথ দিয়ে রোদ থেকে চোখ টাকে আরাল করে সোজা চলছে ।ছাতা আনেনি বোধহয় । নয়ন ইয়ারকি করে বলল " যা সৃজিত তোর ছাতাটা দিয়ে আয় , কষ্ট হচ্চে মনেহয় " । তারপর দুজনেই হাসতে শুরু করল হো-হো করে । বললাম
-তোদের দিতে হয় তোরা দিয়ে আয় । আমি নেই এসব এ ।
মুখে তো যা বলার বলে দিলাম কিন্তু মনে হচ্ছিল কিছু একটা বাহানা তে গিয়ে একটু কথা বলতে পারলে বেশ হয় । খেয়াল হোলো হাঠতে হাঠতে প্রায় ওর কাছাকাছি চলে এসেছি । হঠাৎ দেখি মেয়েটা রাস্তা থেকে বাম দিকে বেকে সরকারি কোয়াটারের বড় গেটেটার মধ্যে দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল । একবার পেছনে তাকিয়েছিল গেটের ভিতরে গিয়ে । চোখে চোখ পরতেই লক্ষ্য করলাম একটু মুচকি হাসি , আবার মাথা ঘুরিয়ে চলে গেল ও । পাড়ার গলিটা আসতেই আবীরকে বিদায় জানিয়ে বললাম " বিকেলে তারাতারি চলে যাস মাঠে , ম্যাচ আছে কিন্তু " । আবীর মাথা নারিয়ে চলে গেল । আমি আর নয়ন একই পাড়ায় থাকি আর আবীরের বাড়ি টা আরও দুটো পাড়া পেরিয়ে । বাড়ি ফিরে সেদিন খেয়াল করলাম আজ মনটা অন্য দিনের থেকে বেশি খুশী ।
বিকেলে খেলে যখন ফিরছিলাম তখন মেজাজ টা খারাপ । নয়ন আজ আবার গোল মিস করেছে দুবার । ওরকম পসিশন থেকে কেউ গোল মিস করে ? । কত কষ্ট করে একটা গোল দাগালাম তাও হারতে হল নায়ন টার জন্য । বাড়ি ফিরে দেখি বসবার ঘড়ে সোফায় একজন ভদ্রলোক আর এক ভদ্রমহিলা । ভদ্রলোকটির বয়েস আমার বাবার মত এবং মিহিলাটি মায়ের বয়েসি হবে । আমায় দেখে মাহিলাটি বলে উঠলেন
- এ ই বুঝি সৃজিত ? বাঃ কত বড় হয়ে গেছে ।
কিছু বুঝতে না পেরে মায়ের দিকে তাকালাম । মা ঈশারা করে প্রনাম করার কথা বলতে অগত্যা আমিও তাই করলাম । ওনারা আশীর্বাদ করলেন "বেঁচে থাকো বাবা বেঁচে থাকো " । বাবাও আজ তারাতারি বাড়ি ফিরেছেন শনিবার বলে । উনি আরেকটা সোফায় এসে বসে আগন্তুকদের পরিচয় দিলেন । বাবা যা বললেন তার সারমর্ম হল এই যে - " লোকটি বাবার ছোটোবেলার বন্ধু শ্যামসুন্দর সেন , একসঙ্গে পরতেন বাবার সঙ্গে । রেল এর ইঞ্জিনিয়ার , এখানে বদলি হয়ে এসেছেন । ভদ্রমহিলাটি তার স্ত্রী সুলেখা সেন । কাল এ নাকি এখানে এসেছেন , এই পাসের সরকারি কোয়াটারে থাকছেন এখন । " সঙ্গে সঙ্গে কিছু একটা মনে হল কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগে লোকটি মানে কাকুটি জিজ্ঞেস করে বসলেন
- তুমি শ্যামপুর হাইস্কুলে পরো না ? আমার মেয়েকে মানে মিতালিকেও তো ওখানে অ্যাডমিশন করালাম ১১ সায়েন্স এ । তুমিও সায়েন্স না ?
হঠাত করে বুকের মধ্যে ছাঁৎ করে উঠল । এক অজানা কারনে মন টা খুশিতে ভরে উঠল কয়েক মুহূর্তের মধ্যে । সকালের মেয়েটার মুখ ভেসে উঠল চোখের সামনে । ফুটবলের হার টা ভুলে গেছি ততক্ষনে । উত্তেজনা টা যথাসম্ভব চেপে উত্তর দিলাম
-হ্যাঁ , আমিও ১১ সায়েন্স ।
-পরিচয় হয়েছে ?
-না হয়নি এখনো ।
-ওহ আচ্ছা , আমি পরিচয় করিয়ে দেবো নাহয় । মিতালি এখানে নতুন তো , তাই যদি একটু সাহায্য লাগে দেখো । মানে ,এখানে তেমন কারো সঙ্গে পরিচয় হয়নি তো ।
আমি কাকুর মুখের কথা থামিয়ে দিয়েই বললাম " নিশ্চই করব যদি দরকার হয় " । মা আমায় থামিয়ে বলল " ও আপনি কোন চিন্তা করবেন না । আমরা আছি তো , আপনাদের কোন অসুবিধে হবে না " ।
এবার বাবা আমায় ডেকে বলল " যা , খেলে এসেছিস এবার গা ধুয়ে পরতে বস । আমরা কথা বলি । তুই যা " । আমি ও ঘর থেকে বেড়িয়ে নিজের ঘড়ে এসে বুঝতে পারলাম এক অজানা কারনে মন তা ছটফট করছে । বাথরুমে গিয়ে সাওয়ার টা চালিয়ে নিচে দারিয়ে পরলাম । কত কথা এখন মাথায় ঘোরাঘুরি করছে , সঙ্গে অদম্য এক খুশী । সাওয়ারের জল আজ সুধু আমার শরীরকে না , মনকেও শান্ত করে দিচ্ছে । এখন শুধু মাঝে আর এক দিন , পরশু সোমবার আবার দেখা হবে । রাতে শোবার সময় চোখবন্ধ করে ভাবতে ভাবতে বুঝলাম যে সময় যেন কাটছে না অপেক্ষায় ।
চলবে............
Subscribe to:
Posts (Atom)



